আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে চিহ্নিত মৌলভীবাজার–৩ আসনে ১০ দলীয় জোটের মনোনয়ন সিদ্ধান্ত ঘিরে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা উপেক্ষা করে প্রার্থী নির্ধারণের অভিযোগে তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভ, হতাশা ও ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে।স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও সাধারণ ভোটারদের অভিমত—এই আসনে আব্দুল মান্নান ছাড়া অন্য কাউকে দাঁড় করানো মানেই জোটকে নিশ্চিত পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া। দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে স্থানীয় মানুষ প্রকাশ্যে বলছেন, “এই আসনে আব্দুল মান্নান না থাকলে জোটের ভোট ব্যাংক ভেঙে পড়বে।”বিএনপির নাসের রহমানকে ওয়াকওভার দেওয়ার আশঙ্কামাঠপর্যায়ের একাধিক জরিপ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, বিএনপির প্রার্থী নাসের রহমান বর্তমানে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। আব্দুল মান্নান নির্বাচন না করলে নাসের রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন—এমন আশঙ্কা এখন আর গোপন নয়।স্থানীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“এটা এখন আর শুধু নির্বাচন নয়—এটা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের লড়াই। এই আসনে ভুল সিদ্ধান্ত মানেই রাজনগর ও মৌলভীবাজারে জামায়াত-শিবিরকে দীর্ঘদিনের জন্য কোণঠাসা করা।”কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মাঠে বিদ্রোহের সুরকেন্দ্রীয় নেতা আহমদ বিলাল–কে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে কার্যত প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—তিনি তৃণমূল পর্যায়ে অপরিচিত, অনেক এলাকায় তাঁর নামই জানে না মানুষ, এমনকি এজেন্ট দেওয়ার মতো সংগঠনিক সক্ষমতাও নেই।স্থানীয় লোকজনরা বলেন,-“কাগজে-কলমে কেন্দ্রীয় পদ থাকলেই মাঠে ভোট আসে না। যারা মাঠের তথ্য উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা সব জায়গায় সব সময় সঠিক হতে পারে না।”বিক্ষোভ, মিছিল ও ব্লকেডের প্রস্তুতিবিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নানের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা না হলে মৌলভীবাজার শহর ও রাজনগরে স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল, বিক্ষোভ এমনকি ব্লকেড কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। এতে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও প্রবল।ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত বিস্ফোরক রূপ নিচ্ছে।আঁতাত ও লেনদেনের অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতিএদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুতর অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে—আহমদ বিলাল জোটের প্রভাব ব্যবহার করে মনোনয়ন আদায় করেছেন এবং প্রতিপক্ষকে সুবিধা দিতে গোপন আঁতাত হয়েছে। এমনকি অর্থ লেনদেনের কথাও লোকমুখে শোনা যাচ্ছে। যদিও এসব অভিযোগের আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি, তবুও এই গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।জোট রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোট গঠনের উদ্দেশ্য যদি একসঙ্গে বিজয় নিশ্চিত করা হয়, তবে মাঠপর্যায়ের সক্ষমতাকে উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।একজন প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন,“দলের ভোটেই যদি সব নির্ধারিত হতো, তাহলে জনগণের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। মাঠ হারিয়ে জোট টিকবে না।”মৌলভীবাজার–৩ এখন আর শুধু একটি আসন নয়—এটি জোট রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা, দূরদর্শিতা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা বোঝার সক্ষমতার বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তৃণমূলের বক্তব্য: “ভোটার কেন্দ্রে যাবে মান্নান থাকলেই”সংবাদ সংশ্লিষ্ট তৃণমূল পর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ও সাধারণ ভোটারদের পক্ষ থেকে একটি সুষ্পষ্ট পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে। তাদের মতে, আসন্ন নির্বাচনে যদি ১০ দলীয় জোট থেকে আহমদ বিলাল মনোনয়ন পান, তাহলে জোটের নিয়মিত অনুসারীরা হয়তো ভোট প্রদান করবেন। তবে বাস্তবতা হলো—সাধারণ ভোটারদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের একটি বড় অংশ কেবল তখনই কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী, যখন প্রার্থী হিসেবে এম আব্দুল মান্নান মাঠে থাকবেন।মাঠপর্যায়ের জরিপ ও জনসংযোগ কার্যক্রম বিশ্লেষণে দেখা যায়, জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা এবং ভোট টানার সক্ষমতার দিক থেকে এম আব্দুল মান্নান অন্য যে কোনো বিকল্প প্রার্থীর তুলনায় বহুগুণ এগিয়ে। রাজনগর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।তৃণমূলের ভাষ্য অনুযায়ী,“এই আসনে প্রার্থী শুধু প্রতীকের বিষয় নয়—মানুষ কাকে বিশ্বাস করে, কার ডাকে ঘর ছেড়ে ভোটকেন্দ্রে যাবে, সেটাই আসল।”তাদের আরও আশঙ্কা, এম আব্দুল মান্নানকে উন্মুক্ত না রাখা হলে সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ ভোটদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে, এমনকি বিকল্প সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য হতে পারে—যা জোটের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা—মৌলভীবাজার-৩ আসনে জনগণের পালস বুঝে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হোক। তাদের ভাষায়, “ভোটের অঙ্ক কাগজে নয়, মাঠে লেখা হয়।” এদিকে ফেইসবুক ও সোস্যাল নেটওয়ার্কে চলছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে চিহ্নিত মৌলভীবাজার–৩ আসনে ১০ দলীয় জোটের মনোনয়ন সিদ্ধান্ত ঘিরে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা উপেক্ষা করে প্রার্থী নির্ধারণের অভিযোগে তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভ, হতাশা ও ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে।স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও সাধারণ ভোটারদের অভিমত—এই আসনে আব্দুল মান্নান ছাড়া অন্য কাউকে দাঁড় করানো মানেই জোটকে নিশ্চিত পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া। দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে স্থানীয় মানুষ প্রকাশ্যে বলছেন, “এই আসনে আব্দুল মান্নান না থাকলে জোটের ভোট ব্যাংক ভেঙে পড়বে।”বিএনপির নাসের রহমানকে ওয়াকওভার দেওয়ার আশঙ্কামাঠপর্যায়ের একাধিক জরিপ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, বিএনপির প্রার্থী নাসের রহমান বর্তমানে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। আব্দুল মান্নান নির্বাচন না করলে নাসের রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন—এমন আশঙ্কা এখন আর গোপন নয়।স্থানীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“এটা এখন আর শুধু নির্বাচন নয়—এটা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের লড়াই। এই আসনে ভুল সিদ্ধান্ত মানেই রাজনগর ও মৌলভীবাজারে জামায়াত-শিবিরকে দীর্ঘদিনের জন্য কোণঠাসা করা।”কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মাঠে বিদ্রোহের সুরকেন্দ্রীয় নেতা আহমদ বিলাল–কে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে কার্যত প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—তিনি তৃণমূল পর্যায়ে অপরিচিত, অনেক এলাকায় তাঁর নামই জানে না মানুষ, এমনকি এজেন্ট দেওয়ার মতো সংগঠনিক সক্ষমতাও নেই।স্থানীয় লোকজনরা বলেন,-“কাগজে-কলমে কেন্দ্রীয় পদ থাকলেই মাঠে ভোট আসে না। যারা মাঠের তথ্য উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা সব জায়গায় সব সময় সঠিক হতে পারে না।”বিক্ষোভ, মিছিল ও ব্লকেডের প্রস্তুতিবিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নানের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা না হলে মৌলভীবাজার শহর ও রাজনগরে স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল, বিক্ষোভ এমনকি ব্লকেড কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। এতে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও প্রবল।ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত বিস্ফোরক রূপ নিচ্ছে।আঁতাত ও লেনদেনের অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতিএদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুতর অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে—আহমদ বিলাল জোটের প্রভাব ব্যবহার করে মনোনয়ন আদায় করেছেন এবং প্রতিপক্ষকে সুবিধা দিতে গোপন আঁতাত হয়েছে। এমনকি অর্থ লেনদেনের কথাও লোকমুখে শোনা যাচ্ছে। যদিও এসব অভিযোগের আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি, তবুও এই গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।জোট রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোট গঠনের উদ্দেশ্য যদি একসঙ্গে বিজয় নিশ্চিত করা হয়, তবে মাঠপর্যায়ের সক্ষমতাকে উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।একজন প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন,“দলের ভোটেই যদি সব নির্ধারিত হতো, তাহলে জনগণের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। মাঠ হারিয়ে জোট টিকবে না।”মৌলভীবাজার–৩ এখন আর শুধু একটি আসন নয়—এটি জোট রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা, দূরদর্শিতা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা বোঝার সক্ষমতার বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তৃণমূলের বক্তব্য: “ভোটার কেন্দ্রে যাবে মান্নান থাকলেই”সংবাদ সংশ্লিষ্ট তৃণমূল পর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ও সাধারণ ভোটারদের পক্ষ থেকে একটি সুষ্পষ্ট পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে। তাদের মতে, আসন্ন নির্বাচনে যদি ১০ দলীয় জোট থেকে আহমদ বিলাল মনোনয়ন পান, তাহলে জোটের নিয়মিত অনুসারীরা হয়তো ভোট প্রদান করবেন। তবে বাস্তবতা হলো—সাধারণ ভোটারদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের একটি বড় অংশ কেবল তখনই কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী, যখন প্রার্থী হিসেবে এম আব্দুল মান্নান মাঠে থাকবেন।মাঠপর্যায়ের জরিপ ও জনসংযোগ কার্যক্রম বিশ্লেষণে দেখা যায়, জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা এবং ভোট টানার সক্ষমতার দিক থেকে এম আব্দুল মান্নান অন্য যে কোনো বিকল্প প্রার্থীর তুলনায় বহুগুণ এগিয়ে। রাজনগর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।তৃণমূলের ভাষ্য অনুযায়ী,“এই আসনে প্রার্থী শুধু প্রতীকের বিষয় নয়—মানুষ কাকে বিশ্বাস করে, কার ডাকে ঘর ছেড়ে ভোটকেন্দ্রে যাবে, সেটাই আসল।”তাদের আরও আশঙ্কা, এম আব্দুল মান্নানকে উন্মুক্ত না রাখা হলে সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ ভোটদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে, এমনকি বিকল্প সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য হতে পারে—যা জোটের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা—মৌলভীবাজার-৩ আসনে জনগণের পালস বুঝে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হোক। তাদের ভাষায়, “ভোটের অঙ্ক কাগজে নয়, মাঠে লেখা হয়।” এদিকে ফেইসবুক ও সোস্যাল নেটওয়ার্কে চলছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ মিউচুয়াল পার্টি (বিএমপি) নামে নতুন একটি নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্ট এ আত্মপ্রকাশ হয়।অনুষ্ঠানে মেরাজুল হক কে চেয়ারম্যান ও ইসমাইল আলী কে মহাসচিব, রুপন চন্দ্র দেব কে দপ্তর সম্পাদক,রুহুল আমিন কে সাংগঠনিক সম্পাদক, ইমদাদুল হক কে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, সাহাদত হোসেন কে উত্তর বঙ্গের মুখ্য সচিব, দীপু কুমার সিংহ কে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে মুখ্য সচিব, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ কে জাতীয় নির্বাহী কমিঠির সদস্য সহ ১৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার,নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব রক্ষায় কাজ করবে এই রাজনৈতিক দল ।আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলটির চেয়ারম্যান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা করা। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। জুলাই ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের আকাঙক্ষাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন ও শিল্পায়ন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামগ্রিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। অগ্রাধিকার ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে সুষম অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করা, যাতে সকল নাগরিকের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বাসস্থানের চাহিদা পূরণের সুযোগ নিশ্চিত হয়।সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশি জনগণের ধর্ম ইসলাম এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর জন্য ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করে মানবিক মূল্যবোধ সংরক্ষণ করা; অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা সম্প্রসারণ ও জাতীয় জীবনে তাদের অধিকতর সুবিধা ও সম্মানজনক অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা। নারী ও যুব সম্প্রদায়সহ সকল মানবসম্পদের সুষ্ঠু, কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা। আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব, প্রীতি ও সমতার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করা; প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান বজায় রেখে এবং বিশেষভাবে ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা। তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে তারা প্রার্থী দিতে চায়। এবং দেশবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখন কোমায় আছেন বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. মোশকাত আহমেদ।তিনি জানান, শরিফ ওসমান হাদীর অবস্থা খুবই গুরুতর।তার মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তিনি এখন কোমায় আছেন।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানী বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় অস্ত্রধারীরা তাকে গুলি করে। তাকে উদ্ধার করে ২টা ৩৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক। তিনি বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ১৩ নভেম্বর হত্যার হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন ওসমান হাদী। তার মোবাইল নম্বরে বিদেশি নম্বর থেকে কল করে ও টেক্সট দিয়ে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।ওইদিন রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ওসমান হাদী লেখেন, গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টি বিদেশি নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে।logo ই-পেপার সর্বশেষ জাতীয়রাজনীতিসারাদেশবিশ্বখেলাশিক্ষাবাণিজ্যমতামতলাইফস্টাইলআইন-আদালতঅপরাধস্বাস্থ্যধর্মবিনোদনপ্রযুক্তিরাজধানীশিল্প-সাহিত্যপ্রবাসচাকরিচট্টগ্রাম সারাবেলানারী-শিশুআইন ও পরামর্শসোশ্যাল মিডিয়াবিচিত্র ভিডিও অডিও ই-পেপারব্রেকিংbreakingঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ।প্রচ্ছদরাজনীতিওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ, নেওয়া হয়েছে ঢামেকেকালবেলা ডেস্ক আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৫৯ পিএম|অনলাইন সংস্করণঅ- অ+facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttoncopy sharing buttonওসমান হাদী। ছবি : সংগৃহীতXওসমান হাদী। ছবি : সংগৃহীতত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ১৩ নভেম্বর হত্যার হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন ওসমান হাদী। তার মোবাইল নম্বরে বিদেশি নম্বর থেকে কল করে ও টেক্সট দিয়ে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।ওইদিন রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ওসমান হাদী লেখেন, গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টি বিদেশি নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে।তিনি লেখেন, যার সামারি হলো—আমাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তারা আমার বাড়িতে আগুন দেবে। আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণ করবে। এবং আমাকে হত্যা করবে।তিনি আরও লেখেন, ১৭ তারিখ খুনি হাসিনার রায় হবে। ১৪০০ শহীদের রক্তের ঋণ মেটাতে কেবল আমার বাড়ি-ঘর না, যদি আমাকেও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, ইনসাফের এই লড়াই হতে আমি এক চুলও নড়ব না, ইনশাআল্লাহ।ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র লেখেন, এক আবরারকে হত্যার মধ্য দিয়ে হাজারো আবরার জন্মেছে এদেশে। এক হাদীকে হত্যা করা হলে তাওহিদের এই জমিনে আল্লাহ লক্ষ হাদী তৈরি করে দেবেন। স্বাধীনতার এই ক্রুদ্ধ স্বরকে কোনোদিন রুদ্ধ করা যাবে না।তিনি লেখেন, লড়াইয়ের ময়দানে আমি আমার আল্লাহর কাছে আরও সাহস ও শক্তি চাই। আরশওয়ালার কাছে আমি হাসিমুখে শহিদি মৃত্যু চাই।পরিশেষে হাদী লেখেন, আমার পরিবার ও আমার কলিজার সহযোদ্ধাদের আল্লাহতায়ালার কুদরতি কদমে সোপর্দ করলাম। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে। হাসবিয়াল্লাহ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণা হওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রশ্নে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। ফলে নির্বাচনে অংশ নিতে হলে তারেক রহমানকে কবে দেশে ফিরতে হবে এ প্রশ্ন এখন জনমনে। তবে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে অংশ নিতে তারেক রহমানকে প্রথমে ভোটার হতে হবে। মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর হওয়ায় এ সময়ের মধ্যেই তাকে ভোটার হতে হবে। লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমেই ভোটার হতে পারবেন তারেক রহমান। এরপর সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন। ফলে নির্বাচনের মনোনয়ন দাখিলের জন্য দেশে আসার বাধ্যবাধকতা নেই। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। বিএনপির নেতাকর্মীরাও এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে কথা বলেছেন। তারেক রহমান কবে দেশে ফিরতে পারেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি বিএনপি। এমনকি নির্বাচনে অংশ নিতে কত তারিখের মধ্যে তার দেশে ফেরার বাধ্যবাধকতা রয়েছে- এ বিষয়েও নির্বাচন কমিশন থেকে কিছু জানা যায়নি। গতকাল বুধবার লক্ষ্মীপুরে এক নির্বাচনি জনসভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তারেক রহমান ১০ দিনের মধ্যেই দেশে ফিরবেন। তার দাবি, সময় খুব কাছে- নেতা ফিরবেনই। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তারেক রহমান জানান, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না। তবে কেন ফিরতে পারছেন না সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেননি তিনি। এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘খুব শিগগির’ দেশে ফিরছেন। নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের নেতা যেদিন আসবেন, যেদিন দেশে পা রাখবেন, সেদিন যেন সমগ্র বাংলাদেশ কেঁপে ওঠে। এই কথাটা আপনাদের মনে রাখতে হবে…পারবেন তো। ইনশাআল্লাহ্, আমরা সেদিন গোটা বাংলাদেশের চেহারা বদলে দিতে চাই। এদিকে, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন জমার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু ২২ জানুয়ারি। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত প্রচার চলবে। ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশেত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।তিনি জানান, আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভোট উৎসব হবে। এদিন ৩০০ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোট হবে।সিইসি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন ২৯ ডিসেম্বর থেকে। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হবে ৪ জানুয়ারি। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে প্রার্থীদের আপিল ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করবে ২১ জানুয়ারি এবং ওইদিন প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনি গণসংযোগ ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তথা নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত। ভোট ১২ জানুয়ারি। দেওয়া ভাষণে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।তিনি জানান, আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভোট উৎসব হবে। এদিন ৩০০ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোট হবে।সিইসি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন ২৯ ডিসেম্বর থেকে। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হবে ৪ জানুয়ারি। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে প্রার্থীদের আপিল ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করবে ২১ জানুয়ারি এবং ওইদিন প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনি গণসংযোগ ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তথা নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত। ভোট ১২ জানুয়ারি।