দৈনিক বেলা

 সারাদেশ সারাদেশ

মতামতমতামত

মৌলভীবাজার–৩ আসন, জোট সিদ্ধান্তে গণবিক্ষোভের আশঙ্কা!

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে চিহ্নিত মৌলভীবাজার–৩ আসনে ১০ দলীয় জোটের মনোনয়ন সিদ্ধান্ত ঘিরে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা উপেক্ষা করে প্রার্থী নির্ধারণের অভিযোগে তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভ, হতাশা ও ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে।স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও সাধারণ ভোটারদের অভিমত—এই আসনে আব্দুল মান্নান ছাড়া অন্য কাউকে দাঁড় করানো মানেই জোটকে নিশ্চিত পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া। দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে স্থানীয় মানুষ প্রকাশ্যে বলছেন, “এই আসনে আব্দুল মান্নান না থাকলে জোটের ভোট ব্যাংক ভেঙে পড়বে।”বিএনপির নাসের রহমানকে ওয়াকওভার দেওয়ার আশঙ্কামাঠপর্যায়ের একাধিক জরিপ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, বিএনপির প্রার্থী নাসের রহমান বর্তমানে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। আব্দুল মান্নান নির্বাচন না করলে নাসের রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন—এমন আশঙ্কা এখন আর গোপন নয়।স্থানীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“এটা এখন আর শুধু নির্বাচন নয়—এটা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের লড়াই। এই আসনে ভুল সিদ্ধান্ত মানেই রাজনগর ও মৌলভীবাজারে জামায়াত-শিবিরকে দীর্ঘদিনের জন্য কোণঠাসা করা।”কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মাঠে বিদ্রোহের সুরকেন্দ্রীয় নেতা আহমদ বিলাল–কে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে কার্যত প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—তিনি তৃণমূল পর্যায়ে অপরিচিত, অনেক এলাকায় তাঁর নামই জানে না মানুষ, এমনকি এজেন্ট দেওয়ার মতো সংগঠনিক সক্ষমতাও নেই।স্থানীয় লোকজনরা বলেন,-“কাগজে-কলমে কেন্দ্রীয় পদ থাকলেই মাঠে ভোট আসে না। যারা মাঠের তথ্য উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা সব জায়গায় সব সময় সঠিক হতে পারে না।”বিক্ষোভ, মিছিল ও ব্লকেডের প্রস্তুতিবিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নানের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা না হলে মৌলভীবাজার শহর ও রাজনগরে স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল, বিক্ষোভ এমনকি ব্লকেড কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। এতে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও প্রবল।ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত বিস্ফোরক রূপ নিচ্ছে।আঁতাত ও লেনদেনের অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতিএদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুতর অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে—আহমদ বিলাল জোটের প্রভাব ব্যবহার করে মনোনয়ন আদায় করেছেন এবং প্রতিপক্ষকে সুবিধা দিতে গোপন আঁতাত হয়েছে। এমনকি অর্থ লেনদেনের কথাও লোকমুখে শোনা যাচ্ছে। যদিও এসব অভিযোগের আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি, তবুও এই গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।জোট রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোট গঠনের উদ্দেশ্য যদি একসঙ্গে বিজয় নিশ্চিত করা হয়, তবে মাঠপর্যায়ের সক্ষমতাকে উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।একজন প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন,“দলের ভোটেই যদি সব নির্ধারিত হতো, তাহলে জনগণের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। মাঠ হারিয়ে জোট টিকবে না।”মৌলভীবাজার–৩ এখন আর শুধু একটি আসন নয়—এটি জোট রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা, দূরদর্শিতা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা বোঝার সক্ষমতার বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তৃণমূলের বক্তব্য: “ভোটার কেন্দ্রে যাবে মান্নান থাকলেই”সংবাদ সংশ্লিষ্ট তৃণমূল পর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ও সাধারণ ভোটারদের পক্ষ থেকে একটি সুষ্পষ্ট পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে। তাদের মতে, আসন্ন নির্বাচনে যদি ১০ দলীয় জোট থেকে আহমদ বিলাল মনোনয়ন পান, তাহলে জোটের নিয়মিত অনুসারীরা হয়তো ভোট প্রদান করবেন। তবে বাস্তবতা হলো—সাধারণ ভোটারদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের একটি বড় অংশ কেবল তখনই কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী, যখন প্রার্থী হিসেবে এম আব্দুল মান্নান মাঠে থাকবেন।মাঠপর্যায়ের জরিপ ও জনসংযোগ কার্যক্রম বিশ্লেষণে দেখা যায়, জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা এবং ভোট টানার সক্ষমতার দিক থেকে এম আব্দুল মান্নান অন্য যে কোনো বিকল্প প্রার্থীর তুলনায় বহুগুণ এগিয়ে। রাজনগর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।তৃণমূলের ভাষ্য অনুযায়ী,“এই আসনে প্রার্থী শুধু প্রতীকের বিষয় নয়—মানুষ কাকে বিশ্বাস করে, কার ডাকে ঘর ছেড়ে ভোটকেন্দ্রে যাবে, সেটাই আসল।”তাদের আরও আশঙ্কা, এম আব্দুল মান্নানকে উন্মুক্ত না রাখা হলে সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ ভোটদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে, এমনকি বিকল্প সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য হতে পারে—যা জোটের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা—মৌলভীবাজার-৩ আসনে জনগণের পালস বুঝে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হোক। তাদের ভাষায়, “ভোটের অঙ্ক কাগজে নয়, মাঠে লেখা হয়।” এদিকে ফেইসবুক ও সোস্যাল নেটওয়ার্কে চলছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়।

মনোনয়ন নিয়ে বিরোধে বিএনপির ক্ষতি, জামায়াতের লাভ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির অধিকাংশ প্রার্থী মাঠে প্রচারণায় থাকলেও প্রাথমিক মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দলটির তৃণমূল এখনো বিভক্ত। অনেক আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ও মনোনয়নবঞ্চিতদের সমর্থকদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এতে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হচ্ছে, আর সুযোগ নিচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীসহ অন্য দলগুলো।তৃণমূলে বিভাজন, উত্তপ্ত মাঠখোঁজ নিয়ে জানা যায়, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বিএনপির বিভিন্ন আসনে মনোনয়ন–সংক্রান্ত বিরোধও তত তীব্র হচ্ছে। প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া নেতারা এলাকায় অর্থ ব্যয় করে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে মনোনয়নবঞ্চিতরাও সম্ভাব্য পরিবর্তনের আশায় মাঠে সক্রিয়, ব্যয় করছেন প্রচুর অর্থ।এই বঞ্চিত নেতাদের সমর্থকরা মহাসড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ, সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি করছেন। আবার ঘোষিত সম্ভাব্য একক প্রার্থীর সমর্থকরাও পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে মাঠ ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। সব মিলিয়ে এ বিভক্ত অবস্থান বিএনপির জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ডেকে বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করছেন বিএনপি নেতারা। তবে দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে তৃণমূলের অনেকেই মনে করছেন।একাধিক আসনে অভিযোগ উঠেছে—সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার হাইকমান্ডের নির্দেশনা মানছেন না। তারা মনোনয়নবঞ্চিতদের সঙ্গে যোগাযোগ না করায় বিরোধ আরও বাড়ছে।প্রার্থী তালিকা পুনর্মূল্যায়ন চলছেবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু যুগান্তরকে বলেন, দল আগেই বলেছে, এটা চূড়ান্ত তালিকা নয়, সম্ভাব্য তালিকা। কোনো এলাকায় পরিবর্তন দরকার মনে করলে, অবশ্যই তা করা হবে। সবকিছু বিশ্লেষণ করেই তালিকা করা হয়।তিনি বলেন, মনোনয়ন ঘোষণার পর কিছু জায়গায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। কারণ, অনেক জায়গায়ই মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য দু-তিনজন করে নেতা আছেন। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে ক্ষোভ মিটিয়ে নিচ্ছি।বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, আসনভিত্তিক কোন্দল, প্রার্থীদের শক্তি–দুর্বলতা ও বঞ্চিত নেতাদের অবস্থান যাচাই করতে একটি টিম কাজ করছে। তাদের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে।অন্তত ৪০ আসনে বিরোধঘোষিত ২৩৬ আসনের মধ্যে প্রায় ৪০টি আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিরোধ চলছে। অনেক বঞ্চিত নেতা দাবি করেছেন—স্থানীয় জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে ভুল করা হয়েছে, জরিপে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে।সম্ভাব্য ও বঞ্চিত উভয় পক্ষই জানিয়েছেন, তারা প্রতিদিন মাঠে ধানের শীষের প্রচারণায় ব্যয় করছেন প্রচুর অর্থ ও শ্রম। কিন্তু অনিশ্চয়তা দীর্ঘ হলে এ লাভবান হবে প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতসহ অন্য দলগুলো।তৃণমূলের নেতারা বলছেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি জরুরি। নয়তো নির্বাচনি মাঠে এই বিভাজনেরই ফায়দা তুলবে বিএনপির প্রতিপক্ষরা।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

মৌলভীবাজার–৩ আসন, জোট সিদ্ধান্তে গণবিক্ষোভের আশঙ্কা!

বাংলাদেশ মিউচুয়াল পার্টি (বিএমপি) নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

ঘর ছেড়ে রাস্তা-মাঠে নির্ঘুম রাত, শহর ছাড়ার ভাবনা

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

বিএনপি নেতাদের কেক খাওয়ালেন নতুন ওসি—উঠছে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

শাহজাহানের বক্তব্য সমর্থন করে না জামায়াত

নিবিড় তত্ত্বাবধানে আইসিইউতে খালেদা জিয়া,দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন

১০

পাবনা-৪ আসনের জামায়াত প্রার্থীকে হত্যা করতে বিএনপির গুলি

জনপ্রিয় সব খবর

 বানিজ্য বানিজ্য

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর ১২ দাফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন মুকুল, শফিউর রহমান শফি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু, অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম খাত; কিন্তু এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম অবহেলার শিকার। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ নারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি খাত দেশের জিডিপিতে ১১ দশমিক ২ শতাংশ অবদান রাখলেও সরকারিভাবে এর গুরুত্ব নেই বললেই চলে। কৃষি ও কৃষক ক্ষেতমজুর না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত না হলে, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি বলেন, কৃষি উপকরণের দাম যেমন বেড়েই চলেছে, তেমনি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১১ লাখ কৃষক জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। বাজার ভরে গেছে ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকে। যার ফলে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্ষেতমজুরদের বছরে গড় কাজ থাকে ১৮০ দিনেরও কম। ‘আমি রেটে’ গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি। তাদের দাবিগুলো হলো- 

ঈদের আগেই মিলবে ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট

ঈদের আগেই মিলবে ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ঈদের আগেই নতুন নকশার নোট বাজারে আসবে। সেভাবেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। নোট ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে ঠিক কোন নোট কবে আসবে সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেননি।বাংলাদেশ ব্যাংকের নাম না প্রকাশ করে আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, টাঁকশালে ২০ টাকার নোটের ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী সপ্তাহে এ নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরের সপ্তাহে হস্তান্তর করা হবে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট। এসব নোট কবে বাজারে ছাড়া হবে তা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করবে।

 সারাদেশ সারাদেশ

ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত

ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত

রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় মোটরবাইক আরোহী দুইজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে শুক্রবার ভোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।নিহতরা হলেন-ইরাম রেদওয়ান ও অপু আহমেদ। ইরাম আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ও অপু ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।আহত দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তাদের বন্ধু তাওসিফ গণমাধ্যমকে বলেন, ইরাম ও অপু একটি বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিলেন।পথে ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। পরে খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিলে প্রথমে অপু ও তার কিছুক্ষণ পর ইরামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।জানা গেছে, নিহত দুই শিক্ষার্থী ডেমরা থানাধীন চিটাগাং রোড এলাকায় থাকতেন। এ ঘটনায় ঘাতক গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-শ-১৪০৫৭৪) জব্দ করেছে পুলিশ। মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে ।

১২ ডিসেম্বর ২০২৫

 সারাদেশ সারাদেশ

ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত

ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত

রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় মোটরবাইক আরোহী দুইজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে শুক্রবার ভোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।নিহতরা হলেন-ইরাম রেদওয়ান ও অপু আহমেদ। ইরাম আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ও অপু ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।আহত দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তাদের বন্ধু তাওসিফ গণমাধ্যমকে বলেন, ইরাম ও অপু একটি বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিলেন।পথে ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। পরে খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিলে প্রথমে অপু ও তার কিছুক্ষণ পর ইরামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।জানা গেছে, নিহত দুই শিক্ষার্থী ডেমরা থানাধীন চিটাগাং রোড এলাকায় থাকতেন। এ ঘটনায় ঘাতক গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-শ-১৪০৫৭৪) জব্দ করেছে পুলিশ। মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে ।

১২ ডিসেম্বর ২০২৫

 রাজনীতি রাজনীতি

 মৌলভীবাজার–৩ আসন, জোট সিদ্ধান্তে গণবিক্ষোভের আশঙ্কা!

বিস্ফোরক পরিস্থিতি, গণঅসন্তোষ চরমে — ব্লকেড ও গণবিক্ষোভের আশঙ্কা / মৌলভীবাজার–৩ আসন, জোট সিদ্ধান্তে গণবিক্ষোভের আশঙ্কা!

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে চিহ্নিত মৌলভীবাজার–৩ আসনে ১০ দলীয় জোটের মনোনয়ন সিদ্ধান্ত ঘিরে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা উপেক্ষা করে প্রার্থী নির্ধারণের অভিযোগে তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভ, হতাশা ও ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে।স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও সাধারণ ভোটারদের অভিমত—এই আসনে আব্দুল মান্নান ছাড়া অন্য কাউকে দাঁড় করানো মানেই জোটকে নিশ্চিত পরাজয়ের দিকে ঠেলে দেওয়া। দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে স্থানীয় মানুষ প্রকাশ্যে বলছেন, “এই আসনে আব্দুল মান্নান না থাকলে জোটের ভোট ব্যাংক ভেঙে পড়বে।”বিএনপির নাসের রহমানকে ওয়াকওভার দেওয়ার আশঙ্কামাঠপর্যায়ের একাধিক জরিপ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, বিএনপির প্রার্থী নাসের রহমান বর্তমানে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। আব্দুল মান্নান নির্বাচন না করলে নাসের রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন—এমন আশঙ্কা এখন আর গোপন নয়।স্থানীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“এটা এখন আর শুধু নির্বাচন নয়—এটা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের লড়াই। এই আসনে ভুল সিদ্ধান্ত মানেই রাজনগর ও মৌলভীবাজারে জামায়াত-শিবিরকে দীর্ঘদিনের জন্য কোণঠাসা করা।”কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে মাঠে বিদ্রোহের সুরকেন্দ্রীয় নেতা আহমদ বিলাল–কে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত মাঠপর্যায়ে কার্যত প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—তিনি তৃণমূল পর্যায়ে অপরিচিত, অনেক এলাকায় তাঁর নামই জানে না মানুষ, এমনকি এজেন্ট দেওয়ার মতো সংগঠনিক সক্ষমতাও নেই।স্থানীয় লোকজনরা বলেন,-“কাগজে-কলমে কেন্দ্রীয় পদ থাকলেই মাঠে ভোট আসে না। যারা মাঠের তথ্য উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা সব জায়গায় সব সময় সঠিক হতে পারে না।”বিক্ষোভ, মিছিল ও ব্লকেডের প্রস্তুতিবিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নানের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা না হলে মৌলভীবাজার শহর ও রাজনগরে স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল, বিক্ষোভ এমনকি ব্লকেড কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে। এতে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও প্রবল।ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত বিস্ফোরক রূপ নিচ্ছে।আঁতাত ও লেনদেনের অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতিএদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুতর অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে—আহমদ বিলাল জোটের প্রভাব ব্যবহার করে মনোনয়ন আদায় করেছেন এবং প্রতিপক্ষকে সুবিধা দিতে গোপন আঁতাত হয়েছে। এমনকি অর্থ লেনদেনের কথাও লোকমুখে শোনা যাচ্ছে। যদিও এসব অভিযোগের আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি, তবুও এই গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে।জোট রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোট গঠনের উদ্দেশ্য যদি একসঙ্গে বিজয় নিশ্চিত করা হয়, তবে মাঠপর্যায়ের সক্ষমতাকে উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।একজন প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন,“দলের ভোটেই যদি সব নির্ধারিত হতো, তাহলে জনগণের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। মাঠ হারিয়ে জোট টিকবে না।”মৌলভীবাজার–৩ এখন আর শুধু একটি আসন নয়—এটি জোট রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা, দূরদর্শিতা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা বোঝার সক্ষমতার বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তৃণমূলের বক্তব্য: “ভোটার কেন্দ্রে যাবে মান্নান থাকলেই”সংবাদ সংশ্লিষ্ট তৃণমূল পর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা ও সাধারণ ভোটারদের পক্ষ থেকে একটি সুষ্পষ্ট পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে। তাদের মতে, আসন্ন নির্বাচনে যদি ১০ দলীয় জোট থেকে আহমদ বিলাল মনোনয়ন পান, তাহলে জোটের নিয়মিত অনুসারীরা হয়তো ভোট প্রদান করবেন। তবে বাস্তবতা হলো—সাধারণ ভোটারদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের একটি বড় অংশ কেবল তখনই কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী, যখন প্রার্থী হিসেবে এম আব্দুল মান্নান মাঠে থাকবেন।মাঠপর্যায়ের জরিপ ও জনসংযোগ কার্যক্রম বিশ্লেষণে দেখা যায়, জনপ্রিয়তা, গ্রহণযোগ্যতা এবং ভোট টানার সক্ষমতার দিক থেকে এম আব্দুল মান্নান অন্য যে কোনো বিকল্প প্রার্থীর তুলনায় বহুগুণ এগিয়ে। রাজনগর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।তৃণমূলের ভাষ্য অনুযায়ী,“এই আসনে প্রার্থী শুধু প্রতীকের বিষয় নয়—মানুষ কাকে বিশ্বাস করে, কার ডাকে ঘর ছেড়ে ভোটকেন্দ্রে যাবে, সেটাই আসল।”তাদের আরও আশঙ্কা, এম আব্দুল মান্নানকে উন্মুক্ত না রাখা হলে সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ ভোটদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে, এমনকি বিকল্প সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য হতে পারে—যা জোটের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা—মৌলভীবাজার-৩ আসনে জনগণের পালস বুঝে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হোক। তাদের ভাষায়, “ভোটের অঙ্ক কাগজে নয়, মাঠে লেখা হয়।” এদিকে ফেইসবুক ও সোস্যাল নেটওয়ার্কে চলছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়।

বাংলাদেশ মিউচুয়াল পার্টি (বিএমপি) নামে নতুন  রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ

বাংলাদেশ মিউচুয়াল পার্টি (বিএমপি) নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ মিউচুয়াল পার্টি (বিএমপি) নামে নতুন একটি নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্ট এ আত্মপ্রকাশ হয়।অনুষ্ঠানে মেরাজুল হক কে চেয়ারম্যান ও ইসমাইল আলী কে মহাসচিব, রুপন চন্দ্র দেব কে দপ্তর সম্পাদক,রুহুল আমিন কে সাংগঠনিক সম্পাদক,  ইমদাদুল হক কে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, সাহাদত হোসেন কে  উত্তর বঙ্গের মুখ্য সচিব, দীপু কুমার সিংহ কে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে মুখ্য সচিব, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ কে জাতীয় নির্বাহী কমিঠির সদস্য সহ  ১৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার,নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব রক্ষায় কাজ করবে এই  রাজনৈতিক দল ।আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলটির চেয়ারম্যান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা করা। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। জুলাই ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের আকাঙক্ষাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন ও শিল্পায়ন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামগ্রিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। অগ্রাধিকার ভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে সুষম অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করা, যাতে সকল নাগরিকের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বাসস্থানের চাহিদা পূরণের সুযোগ নিশ্চিত হয়।সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশি জনগণের ধর্ম ইসলাম এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর জন্য ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করে মানবিক মূল্যবোধ সংরক্ষণ করা; অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা সম্প্রসারণ ও জাতীয় জীবনে তাদের অধিকতর সুবিধা ও সম্মানজনক অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা। নারী ও যুব সম্প্রদায়সহ সকল মানবসম্পদের সুষ্ঠু, কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা। আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব, প্রীতি ও সমতার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করা; প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান বজায় রেখে এবং বিশেষভাবে ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা। তারা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে  ৩০০ আসনে তারা প্রার্থী দিতে চায়। এবং দেশবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় কোমায় আছেন ওসমান হাদী হাদি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখন কোমায় আছেন বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস) ডা. মোশকাত আহমেদ।তিনি জানান, শরিফ ওসমান হাদীর  অবস্থা খুবই গুরুতর।তার মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তিনি এখন কোমায় আছেন।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানী বিজয়নগরের কালভার্ট এলাকায় অস্ত্রধারীরা তাকে গুলি করে। তাকে উদ্ধার করে ২টা ৩৫ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক। তিনি বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ অবস্থায় 

আশঙ্কাজনক অবস্থায় কোমায় আছেন ওসমান হাদী হাদি

ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ১৩ নভেম্বর হত্যার হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন ওসমান হাদী। তার মোবাইল নম্বরে বিদেশি নম্বর থেকে কল করে ও টেক্সট দিয়ে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।ওইদিন রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ওসমান হাদী লেখেন, গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টি বিদেশি নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে।logo ই-পেপার সর্বশেষ জাতীয়রাজনীতিসারাদেশবিশ্বখেলাশিক্ষাবাণিজ্যমতামতলাইফস্টাইলআইন-আদালতঅপরাধস্বাস্থ্যধর্মবিনোদনপ্রযুক্তিরাজধানীশিল্প-সাহিত্যপ্রবাসচাকরিচট্টগ্রাম সারাবেলানারী-শিশুআইন ও পরামর্শসোশ্যাল মিডিয়াবিচিত্র ভিডিও অডিও ই-পেপারব্রেকিংbreakingঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ।প্রচ্ছদরাজনীতিওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ, নেওয়া হয়েছে ঢামেকেকালবেলা ডেস্ক আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৫৯ পিএম|অনলাইন সংস্করণঅ- অ+facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttoncopy sharing buttonওসমান হাদী। ছবি : সংগৃহীতXওসমান হাদী। ছবি : সংগৃহীতত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ১৩ নভেম্বর হত্যার হুমকি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন ওসমান হাদী। তার মোবাইল নম্বরে বিদেশি নম্বর থেকে কল করে ও টেক্সট দিয়ে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।ওইদিন রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে ওসমান হাদী লেখেন, গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টি বিদেশি নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে।তিনি লেখেন, যার সামারি হলো—আমাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তারা আমার বাড়িতে আগুন দেবে। আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণ করবে। এবং আমাকে হত্যা করবে।তিনি আরও লেখেন, ১৭ তারিখ খুনি হাসিনার রায় হবে। ১৪০০ শহীদের রক্তের ঋণ মেটাতে কেবল আমার বাড়ি-ঘর না, যদি আমাকেও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, ইনসাফের এই লড়াই হতে আমি এক চুলও নড়ব না, ইনশাআল্লাহ।ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র লেখেন, এক আবরারকে হত্যার মধ্য দিয়ে হাজারো আবরার জন্মেছে এদেশে। এক হাদীকে হত্যা করা হলে তাওহিদের এই জমিনে আল্লাহ লক্ষ হাদী তৈরি করে দেবেন। স্বাধীনতার এই ক্রুদ্ধ স্বরকে কোনোদিন রুদ্ধ করা যাবে না।তিনি লেখেন, লড়াইয়ের ময়দানে আমি আমার আল্লাহর কাছে আরও সাহস ও শক্তি চাই। আরশওয়ালার কাছে আমি হাসিমুখে শহিদি মৃত্যু চাই।পরিশেষে হাদী লেখেন, আমার পরিবার ও আমার কলিজার সহযোদ্ধাদের আল্লাহতায়ালার কুদরতি কদমে সোপর্দ করলাম। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমাদের লড়াই চলবে। হাসবিয়াল্লাহ।

ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ

২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে হতে হবে ভোটার / তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে চাপ বাড়ছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণা হওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রশ্নে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। ফলে নির্বাচনে অংশ নিতে হলে তারেক রহমানকে কবে দেশে ফিরতে হবে এ প্রশ্ন এখন জনমনে। তবে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে অংশ নিতে তারেক রহমানকে প্রথমে ভোটার হতে হবে। মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর হওয়ায় এ সময়ের মধ্যেই তাকে ভোটার হতে হবে। লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমেই ভোটার হতে পারবেন তারেক রহমান। এরপর সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে মনোনয়ন দাখিল করতে পারবেন। ফলে নির্বাচনের মনোনয়ন দাখিলের জন্য দেশে আসার বাধ্যবাধকতা নেই। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। বিএনপির নেতাকর্মীরাও এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে কথা বলেছেন। তারেক রহমান কবে দেশে ফিরতে পারেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি বিএনপি। এমনকি নির্বাচনে অংশ নিতে কত তারিখের মধ্যে তার দেশে ফেরার বাধ্যবাধকতা রয়েছে- এ বিষয়েও নির্বাচন কমিশন থেকে কিছু জানা যায়নি। গতকাল বুধবার লক্ষ্মীপুরে এক নির্বাচনি জনসভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তারেক রহমান ১০ দিনের মধ্যেই দেশে ফিরবেন। তার দাবি, সময় খুব কাছে- নেতা ফিরবেনই। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তারেক রহমান জানান, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না। তবে কেন ফিরতে পারছেন না সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেননি তিনি। এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘খুব শিগগির’ দেশে ফিরছেন। নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের নেতা যেদিন আসবেন, যেদিন দেশে পা রাখবেন, সেদিন যেন সমগ্র বাংলাদেশ কেঁপে ওঠে। এই কথাটা আপনাদের মনে রাখতে হবে…পারবেন তো। ইনশাআল্লাহ্, আমরা সেদিন গোটা বাংলাদেশের চেহারা বদলে দিতে চাই। এদিকে, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন জমার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু ২২ জানুয়ারি। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত প্রচার চলবে। ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে চাপ বাড়ছে

গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশেত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার  (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।তিনি জানান, আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভোট উৎসব হবে। এদিন ৩০০ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোট হবে।সিইসি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন ২৯ ডিসেম্বর থেকে। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হবে ৪ জানুয়ারি। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে প্রার্থীদের আপিল ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করবে ২১ জানুয়ারি এবং ওইদিন প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনি গণসংযোগ ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তথা নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত। ভোট ১২ জানুয়ারি। দেওয়া ভাষণে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার  (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।তিনি জানান, আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভোট উৎসব হবে। এদিন ৩০০ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোট হবে।সিইসি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন ২৯ ডিসেম্বর থেকে। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হবে ৪ জানুয়ারি। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে প্রার্থীদের আপিল ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করবে ২১ জানুয়ারি এবং ওইদিন প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। নির্বাচনি গণসংযোগ ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তথা নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত। ভোট ১২ জানুয়ারি।

 গণভোট  ও জাতীয় নির্বাচন  ১২ ফেব্রুয়ারি

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 সারাদেশ সারাদেশ

ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত

ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত

রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় মোটরবাইক আরোহী দুইজন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে শুক্রবার ভোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।নিহতরা হলেন-ইরাম রেদওয়ান ও অপু আহমেদ। ইরাম আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ও অপু ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।আহত দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তাদের বন্ধু তাওসিফ গণমাধ্যমকে বলেন, ইরাম ও অপু একটি বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিলেন।পথে ডেমরার কোনাপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। পরে খবর পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিলে প্রথমে অপু ও তার কিছুক্ষণ পর ইরামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।জানা গেছে, নিহত দুই শিক্ষার্থী ডেমরা থানাধীন চিটাগাং রোড এলাকায় থাকতেন। এ ঘটনায় ঘাতক গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-শ-১৪০৫৭৪) জব্দ করেছে পুলিশ। মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে ।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন